চীন সীমান্তে বাড়তি সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত

0
25

চীন সীমান্তে বাড়তি সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।

একইসঙ্গে, সামরিক প্রয়োজনে অবকাঠামো তৈরির চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

লাদাখে সীমান্ত উত্তেজনা প্রশমনে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে গুরুত্ব দিলেও ভারত এখনো তার অবস্থানে অটল।

ভারত মনে করছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা যেসব স্থানে লঙ্ঘিত হয়েছে, সেখান থেকে চীনা ফৌজ সরে না গেলে পরিস্থিতির বদল ঘটবে না।

চলতি মাসের শুরু থেকে ভারত-চীন সীমান্তের দুটি সেক্টরে উত্তেজনা ছড়ায়।

গত ৫ মে লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় গালওয়ানে ভারতকে রাস্তা তৈরিতে চীনা ফৌজ বাধা দেয়। একই সময় প্যাংগং লেকে ভারতীয় টহলদারি দলকেও বাধা দেওয়া হয়। চার দিন পর ৯ মে সিকিম-তিব্বত সীমান্তে নাকুলায় মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়ে দুই দেশের সেনারা। দুই সেক্টরেই দুই দেশের সেনারা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। ঢিল ছোড়াছুড়িও চলে।

অভিযোগ রয়েছে, লাদাখে কয়েকজন ভারতীয় জওয়ানকে চীনারা আটকও করে রাখে। যদিও ভারত তা অস্বীকার করেছে।

উত্তেজনার খবর পাওয়া মাত্র ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল নারভানে লাদাখের ফরোয়ার্ড সেক্টরে চলে যান। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দফায় দফায় আলোচনায় বসেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত ও তিন বাহিনীর পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে।

এদিকে উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে, চীন তাদের অংশে বেশ কিছু বাংকার ও নতুন ছাউনি তৈরি করেছে। তিব্বতের গারি গুনশা ঘাঁটিতে ব্যাপক নির্মাণকাজ চলছে। সেখানে কয়েকটি যুদ্ধ বিমানের উপস্থিতিও উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে। ওই অঞ্চলে ওই সময়ে চীনা সামরিক হেলিকপ্টার একাধিকবার ভারতীয় সীমানায় ঢুকেছে বলেও ভারতের দাবি।

এই উত্তেজনার মাঝে চলতি সপ্তাহের শুরুতে চীন জানায়, ভারতে অবস্থানরত চীনা নাগরিকেরা চাইলে তাঁদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এছাড়া মঙ্গলবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাকে সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে