ভারতের কথিত করোনা ঔষধের বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে ভুটান

0
15

ভুটানের ওষুধ প্রশাসন (ডিআরএ) ভারতীয় যোগগুরু বাবা রামদেবের কোম্পানি পাতাঞ্জলির তৈরি কথিত করোনার ওষুধ ‘করোনিল’ ভুটানে বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে।

ভুটানে ওষুধ আমদানি ও বিক্রি তত্ত্বাবধানকারী ডিআরএ গত সপ্তাহে জানায় যে তারা করোনিল অনুমোদন করেনি।

সরকারি এই সংস্থা আরো জানায়, কোভিড-১৯-এর চিকিৎসা করা যায় বিশ্বে এমন কোন অনুমোদিত ওষুধ নেই। তাই নোভেল করোনাভাইরাসের চিকিৎসা হয় বলে দাবি করা কোন পণ্য বিক্রির অনুমতি ওষুধের দোকানগুলোকে দেয়া হবে না।

ডিআরএ পরিদর্শন বিভাগের প্রধান কুঞ্জাং দর্জি জানান, তিনি থিম্ফুতে পাতাঞ্জলির বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন কিন্তু সেখানে কোন করোনিল পাননি।

ভু্টানে এ পর্যন্ত ৭৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৪ জন সেরে উঠেছে। কোউ মারা যায়নি।

সপ্তাহে করোনাভাইরাস নিরাময়ের দাবি করে করোনিল বাজারে ছাড়ার পর থেকে এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়।

এরপর ১৭ সদস্যের টাস্কফোর্স করোনিলের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে আয়ুষ মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট দেয়- এই ওষুধ করোনাভাইরাস নিরাময়ে ব্যবহার করা যাবে না।

এরপর পুরোপুরি উল্টো সুরে কথা বলতে শুরু করেন পাতাঞ্জলির কর্মকর্তারা। এর সিইও আচার্য বালকৃষ্ণ মঙ্গলবার বলেন, তার প্রতিষ্ঠান কখনো বলেনি যে করোনিল দিয়ে করোনাভাইরাস নিরাময় বা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

তিনি বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেন, এই ওষুধ দিয়ে করোনা নিরাময় বা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এ কথা আমরা কখনো বলিনি। আমরা বলেছি, ওষুধটি তৈরি করেছি এবং এগুলো ক্লিনিক্যাল কন্ট্রোলড ট্রায়ালে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে করোনা রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন। এতে কোন বিভ্রান্তি থাকা ঠিক নয়।

গত সপ্তাহে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বাবা রামদেব বলেন, করোনা রোগীদের উপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালিয়ে দুটি আয়ুর্বেদ ওষুধ ১০০ ভাগ কার্যকর বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সূত্র: সাউথ ইস্ট মনিটর

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে