পয়সা উসুল ম্যাচে শেষ হাসি চট্টগ্রামের

0
64

পয়সা উসুল এক ম্যাচই উপভোগ করলেন দর্শকরা। কেহ কারে নাহি ছাড়ে সমানে সমান। ২৩৮ রানের জবাবে ২২২। শেষ ওভার পর্যন্ত উত্তেজনা জিইয়ে থাকা ম্যাচে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সকে ১৬ রানে হারিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

২৩৯ রানের কঠিন এক লক্ষ্য। এমন এক লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আবার ৩২ রানেই নেই ৩ উইকেট। সৌম্য সরকার (৮ বলে ১৫), মাহিন্দ রাজাপাকসের (৮ বলে ৬) পর সাজঘরে সাব্বির রহমানও (৫ বলে ৫)।

ডেভিড মালান হালটা ধরে ছিলেন। ইয়াসির আলী কিছুটা সঙ্গ দিলেও ১৭ বলে ২১ রান করে আউট হয়ে যান। তবে মালান যেন একাই অসাধ্য সাধনে চেষ্টা করছিলেন। চার-ছক্কার মারে চট্টগ্রামের বোলারদের ঘাম ছুটিয়ে ছাড়ছিলেন ইংলিশ এই ব্যাটসম্যান।

সেঞ্চুরির খুব কাছেও চলে গিয়েছিলেন। তবে মাথার ওপর রানের চাপ নিয়ে দেখেশুনে খেলার উপায় ছিল না। ৮৪ রানে এসে থামতে হয় এই ব্যাটসম্যানকে। ৩৮ বলের বিধ্বংসী ইনিংসে ৭টি চারের সঙ্গে ৫টি ছক্কা হাঁকান তিনি। এরপর ২১ বলে ৩৭ রানের ঝড় তুলে অধিনায়ক দাসুন শানাকাও আউট হয়ে গেলে জয়ের আশা কার্যত শেষ হয়ে যায় কুমিল্লার।

শেষদিকে আবু হায়দার রনির ৫ বলে ২টি করে চার ছক্কায় ২১ রানের ইনিংসটি যা একটু উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অসাধ্য সাধন হয়নি। ৭ উইকেটে ২২২ রানে থেমেছে কুমিল্লার ইনিংস।

এর আগে ইমরুল কায়েস আর চ্যাডউইক ওয়ালটনের জোড়া ফিফটিতে ভর করে ৪ উইকেটে ২৩৮ রানের হিমালয়সম সংগ্রহ দাঁড় করায় ঘরের মাঠের চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

টস হেরে ব্যাট করতে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল চট্টগ্রাম। লেন্ডল সিমন্স (৭ বলে ১০) তাড়াতাড়ি ফিরলেও পরের ব্যাটসম্যানরা ঝড়ো গতিতে রান তুলেছেন। ২৭ বলে ৩ টি করে চার ছক্কায় ৪৮ রান করে ফার্নান্ডো হন সৌম্য সরকারের শিকার।

ইমরুল কায়েসের ৪১ বলে ৬২ রানের ইনিংসে ছিল ৯টি বাউন্ডারি আর ১টি ছক্কার মার। মাঝে নাসির হোসেন ৩ বলে মাত্র ৩ রান করে সৌম্যর দ্বিতীয় শিকার হলেও রানের গতি একটুও কমেনি চট্টগ্রামের।

ওয়ালটনের সঙ্গে মারকুটে ব্যাটিংয়ে যোগ দেন নুরুল হাসান সোহানও। ১৫ বলে ২টি করে চার ছক্কায় ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন সোহান। ওয়ালটনের ২৭ বলে ৭১ রানের দানবীয় ইনিংসে ছিল ৫টি চার আর ৬টি ছক্কার মার।

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল সৌম্য সরকার। তবে ২ উইকেট নিলেও ৩ ওভারে তিনি খরচ করেছেন ৪৪ রান।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে