সৌম্যের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের পরও জিততে পারলো না কুমিল্লা

0
39

মিরপুরে কিংবা বিপিএলে শেষ কবে সৌম্য সরকারের ঝড়ো ব্যাটিং দেখেছিল সেটি হয়তো ভুলে গেছিল সবাই। তবে আজ দেখা গেছে সেটি। কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের হয়ে ৪৮ বলে ৮৮ রানের বিধ্বংসী ও টি-২০ ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন সৌম্য। তবে জেতাতে পারেননি দলকে। রাজশাহির কাছে তার দল হেরেছে ১৫ রানের ব্যবধানে।

১৯১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৬ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় কুমিল্লা। অনিয়মিত রবিউল ওপেনিংয়ে উঠে চমক দিতে পারেননি। ১৫ বলে ১২ রান করে ফেরেন তিনি। উইকেটে এসে দ্রুতই ফিরে গেছেন অধিনায়ক মালান (৩)। এরপর ওপেনার ভ্যান জিলের সাথে ৪৬ রানের জুটি গড়ে তুলেন সৌম্য।

২৩ বলে ২১ রান করে ভ্যান জিল ফিরলে ভাঙে এই জুটি। উইকেটে এসে সাব্বির রহমান সঙ্গ দেন সৌম্যকে। ৫২ রানের সেই জুটিতে সাব্বিরের অবদান ২৩ বলে ২৫। শেষদিকে উইকেটে আসেন ডেভিড উইজ। ১৬ রানের ক্যামিও খেলেন তিনি। এক প্রান্ত আগলে রাখা সৌম্য ততক্ষণে ফিফটি হাঁকিয়ে সেঞ্চুরির দিকে ধাবিত হচ্ছিলেন। তবে পারেননি। টি-২০ ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটির পর সৌম্য থেমেছেন ৮৮ রানে। বাঁহাতি এই হার্ড হিটারের ৪৮ বলের অপরাজিত ইনিংসটিতে ছিল ৬ ছক্কা ও ৫ চারের মার। সৌম্যের সাথে কুমিল্লার ইনিংসও থেমে যায় ৪ উইকেটে ১৭৫ রানে।

রাজশাহির হয়ে এদিন ৮ বোলার বল করেন। এর মধ্যে আন্দ্রে রাসেল, মোহাম্মদ ইরফান, ফরহাদ রেজা ও শোয়েব মালিক ১টি করে উইকেট লাভ করেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই লিটন-আফিফের ব্যাটে ৫৬ রানের ঝড়ো জুটি পায় রাজশাহি। লিটন (২৪) ফিরে যাওয়ার পর উইকেটে আসেন মালিক। আফিফের সাথে তাঁর জুটি ২৪ রানের। ৩০ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৪৩ রান করে ফেরেন আফিফ।

উইকেটে আসা রবি বোপারার সাথে ২৬ রানের আরও একটি জুটি গড়েন মালিক। বোপারা ১০ রান করে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। শেষদিকে দলের হয়ে ঝড় তুলেন রাসেল ও মালিক। তাঁদের ৮৪ রানের অসাধারণ জুটিতে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯০ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় রাজশাহি। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হওয়ার আগে ফিফটি হাঁকিয়ে ৩৮ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানের ইনিংস খেলেন মালিক। ৪ ছক্কায় ২১ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক রাসেল।

কুমিল্লার হয়ে মুজিব, সানজামুল ও সৌম্য ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে