নিরাপত্তা না, টাইগারদের ভাবনাটা লড়াই

0
144


নিরাপত্তা না, টাইগারদের ভাবনাটা লড়াই

লাহোর বিমানবন্দরে নামার পর চোখ ছানবড়া হওয়ারই কথা টাইগারদের। নিরাপত্তার কড়াকড়ি ছিল অনেকটা আঁতকে ওঠার মতোই। বিমানবন্দর থেকে টাইগারদের যখন হোটেলের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সে দৃশ্য ছিল অন্যরকম। রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এমন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দর্শন অভিজ্ঞতার ঝুলিতে নেই বললেই চলে। আর তাতে যে অস্বস্তিকর ঠেকবে সেটাই স্বাভাবিক।

তবে অস্বস্তি যতই থাক, সেটা মাথা থেকে সরিয়ে রেখে আপতত মাঠের লড়াইয়ের দিকেই নজর দিচ্ছেন টাইগাররা। যে কথার প্রমাণ পাওয়া গেল বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কথায়। তিনি দৃঢ়ভাবেই জানিয়েছেন, নিরাপত্তার ‘দারুণ’ কড়াকড়ি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না বরং চিন্তা ম্যাচ নিয়েই। মাঠের লড়াইয়ে জয় পাওয়া নিয়ে।

নানা ঘটনা-অঘটনার পর অবশেষে বুধবার (২২ জানুয়ারি) পাকিস্তান সফরে যান টাইগাররা। বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে করে গভীর রাতে লাহোর বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা। বিমান থেকে নামার পরই নিরাপত্তার কড়াকড়ি দেখে খানিকটা অবাকই হতে হয় টাইগারবাহিনীকে। যে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিমানবন্দরে নামার পরই টাইগারদের কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। হোটেলে পৌঁছা অবধি রাস্তাঘটে বন্ধ করে দেয়া হয় যান চলাচল।

লাহোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিরাপত্তার কড়াকড়া আর ‘বাড়াবাড়ি’ নিয়ে মাহমুদ উল্লাহর দৃষ্টি কাড়া হয়। এসময় মাহমুদ উল্লাহ সাফ জানিয়ে দিয়ে বলেন, আপাতত শুধু মাঠের খেলাতেই মন দিতে চাই। আমরা যখন বিমানে উঠি তখনই বিষয়টি মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলেছি। এ মুহূর্তে পাকিস্তানে ভালো ক্রিকেট খেলার কথা ভাবছি। ভালো খেলে দেশে ফিরতে চাই।

আগে থেকেই নেয়া মানসিক প্রস্তুতির বিষয় উল্লেখ করে মাহমুদ উল্লাহ আরো বললেন, পাকিস্তানে যে কঠোর নিরাপত্তা ও বদ্ধপরিবেশের মধ্যে খেলতে হবে দেশে থাকতেই তা জেনেছি। ফলে এসব চিন্তা-ভাবনার সঙ্গে আপোষ আগেই হয়ে গেছে। দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়ও সেটা মাথায় রেখেই এখানে খেলতে এসেছে। শেষে বলেন, আমরা ভালো খেলতে এসেছি আর তার জন্য সবাই মুখিয়েও আছি।

এনএম



একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে