ফের শিরিন-ইসমাইল দ্রুততম মানব-মানবী

0
88


ফের শিরিন-ইসমাইল দ্রুততম মানব-মানবী


মেয়েদের ১০০ মিটারে ১২ দশমিক ১০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেরা হন শিরিন। সব মিলিয়ে টানা দশমবারের দ্রুততম মানবী শিরিন জাতীয় অ্যাথলেটিকসে ষষ্ঠ ও সামারে জিতলেন চতুর্থ স্বর্ণ। এবার ১০ দশমিক ৪০ সেকেন্ড সময় নিয়ে ১০০ মিটারে স্বর্ণ জেতেন ইসমাইল হোসেন।

দ্বিতীয়বারের মতো দেশের দ্রুততম মানব হয়েছেন ইসমাইল হোসেন। আর টানা দশমবারের মতো দ্রুততম মানবী হয়েছেন শিরিন আক্তার। মুজিববর্ষে জাতীয় অ্যাথলেটিক্সের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে দ্রুততম মানব-মানবীর মুকুট ধরে রেখেছেন দুজনে। জাতীয় অ্যাথলেটিকসে ইলেকট্রনিকস টাইমিংয়ে মাত্র ১০ দশমিক ৪০ সেকেন্ড সময় নিয়ে ১০০ মিটার অতিক্রম করে স্বর্ণ জেতেন ইসমাইল হোসেন। আর ১২ দশমিক ১০ সেকেন্ড সময় নিয়ে মেয়েদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে সোনা জিতেছেন পুরনো মুখ শিরিন আক্তার। সব মিলিয়ে টানা দশমবারের দ্রুততম মানবী শিরিন জাতীয় অ্যাথলেটিকসে ষষ্ঠ ও সামারে জিতলেন চতুর্থ স্বর্ণ।

১৬ জানুয়ারি চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে ৪৩তম জাতীয় অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে টার্ফবিহীন অচেনা মাঠে বর্তমান দ্রুততম মানব হাসান মিয়াকে পেছনে ফেলে মুকুটটি নিজের করে নেন নৌবাহিনীর অ্যাথলেট ইসমাইল হোসেন। ২০১৯ সালের ৩০ আগস্ট জাতীয় অ্যাথলেটিকসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাসান মিয়া নিয়েছিল ১০ দশমিক ৬১ সেকেন্ড। এবার হাসান মিয়া ১০ দশমিক ৫০ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় ও নৌবাহিনীর এম এ রউফ ১০ দশমিক ৬০ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হয়েছেন।

ওদিকে, মেয়েদের ১০০ মিটারে ১২ দশমিক ১০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেরা হন শিরিন। জাতীয় অ্যাথলেটিক্সের গত আসরে ১১ দশমিক ৮০ সেকেন্ড নিয়ে মুকুট জিতেছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এই অ্যাথলেট। হ্যান্ড টাইমিংয়ে হওয়া এই প্রতিযোগিতায় সেনাবাহিনীর শরিফা খাতুন ১২ দশমিক ৩০ সেকেন্ড সময় নিয়ে দৌড় শেষ করেন।

এ ছাড়া, মেয়েদের ১ হাজার ৫০০ মিটার সেনাবাহিনীর সুমি আক্তার (৫ মিনিট ১০ দশমিক ৯০ সেকেন্ড), হাইজাম্পে একই দলের জান্নাতুল (১ দশমিক ৬৩ মিটার), শটপুটে আনসার ভিডিপির শ্রাবণী মল্লিক (১১ দশমিক ৮২ মিটার) সেরা হয়েছেন। ছেলেদের শটপুটে নৌবাহিনীর এম ইব্রাহিম (১৪ দশমিক ২৮ মিটার), হাইজাম্পে একই দলের মাহফুজুর রহমান (২ মিটার), ৫ হাজার মিটারে সেনাবাহিনীর আল আমিন (১৫ মিনিট ৫৩ দশমিক ৭০ সেকেন্ড) সেরা হন।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের পর এই প্রথম ঢাকার বাইরে হলো জাতীয় অ্যাথলেটিক্স। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের ট্র্যাক ছেড়ে প্রতিযোগিতাটি হচ্ছে ঘাসের ওপর। দীর্ঘ ১৪ বছর পর এবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে অ্যাথলেটিকসের জাতীয় আসর। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ৪৩তম এ আসরের নাম রাখা হয়েছে ‘মুজিববর্ষ ২০২০ জাতীয় অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা’। এর আগে সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে বসেছিল খেলাধুলার সবচেয়ে বড় এ ইভেন্ট। এবারের প্রতিযোগিতার কো-চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেছেন, ঢাকার বাইরে এমন আসর স্থানীয় পর্যায়ের অ্যাথলেটিকসকে চাঙ্গা করবে।

বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এবারের প্রতিযোগিতা ঘাসের মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে কোনো অ্যাথলেটের রেকর্ড লিপিবদ্ধ করা হবে না। ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতার আজ শেষ দিন। ৩৬টি ইভেন্টে ৪৫টি সংস্থার ৪ শতাধিক অ্যাথলেট অংশ নিচ্ছেন এবারের আসরে।

এমএইচ



একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে