জয়ের বন্দরে বাংলাদেশ

0
25


জয়ের বন্দরে বাংলাদেশ



ম্যাচের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। নাঈম হাসানের বোলিংয়ের সরাসরি বোল্ড হওয়ার আগে খেলেছিলেন ১০৭ রানের ইনিংস। তার জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংস সেঞ্চুরি হাঁকান বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হকও। তার ব্যাট থেকে আসে ১৩২ রান।

দুই দলের দুই অধিনায়কের এ দ্বৈরথ চললো দ্বিতীয় ইনিংসেও। এবার জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক আরভিনের হন্তারক হিসেবে আবির্ভূত হলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল। তবে বোলিং করে নয়, ফিল্ডিংয়ের মাধ্যমে। যার সুবাদে ব্যাটিং, বোলিংয়ের দুর্দান্ত বাংলাদেশ, আলো ছড়িয়েছে ফিল্ডিংয়েও।

মাত্র ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলায় প্রতি আক্রমণের পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন আরভিন। ম্যাচে বাংলাদেশের সফল বোলার নাঈম হাসান থেকে শুরু করে বাকি সব বোলারকেই একের পর এক পাঠাতে থাকেন সীমানা দড়ির ওপারে। যা দ্রুত রান এনে দিচ্ছিলো জিম্বাবুয়েকে।

সিকান্দার রাজার সঙ্গে পঞ্চম উইকেট জুটিটাও হয়ে গিয়েছিল ৬০ রানের, তাও মাত্র ১৩ ওভারে। কিন্তু একটু বেশিই তাড়াহুড়ো দেখা গেলো আরভিনের ব্যাটিংয়ের। ইনিংসের ৩০তম ওভারের শেষ বলে শর্ট পয়েন্ট অঞ্চল থেকে দ্রুত রান নেয়ার চেষ্টা করেন তিনি।

কিন্তু ক্ষিপ্রতার সঙ্গে ফিল্ডিং করে বাঁহাতের সরাসরি থ্রোতে ব্যাটিং প্রান্তের স্টাম্প ভেঙে দেন টাইগার অধিনায়ক মুমিনুল। ফলে বিদায়ঘণ্টা বেজে যায় জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক আরভিনের। এ ইনিংসে ৬ চার ও ১ ছয়ের মারে ৪৯ বলে ৪৩ রান করেছেন তিনি।

অধিনায়ককে হারিয়ে অনেকটাই চাপে পড়ে গিয়েছে জিম্বাবুয়ে। চতুর্থ দিনের মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১১৪ রান। ইনিংস পরাজয় এড়াতে এখনও ১৮১ রান করতে হবে তাদের। অন্যদিকে দারুণ এক জয় তুলে নিতে বাংলাদেশের প্রয়োজন আর মাত্র ৫টি উইকেট।

এসএইচ



একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে