ব্যর্থতা শেষে জয়ের স্বাদ টাইগারদের

0
30


ব্যর্থতা শেষে জয়ের স্বাদ টাইগারদের


জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংস ও ১০৬ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। আর এটিই বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় ইনিংস ব্যবধানে জয়। ৪৫০ দিন পর ১৪তম টেস্টে জয়ের স্বাদ পেল টাইগাররা। ২০১৮ সালে ২ ডিসেম্বর এই শেরেবাংলা স্টেডিয়ামেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ ও প্রথম ইনিংস ব্যবধানে  এবং  ১৮৪ রানের বড় জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

এই জয়ের আগে টানা পাঁচটি ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে পরাজয় হয়েছিল বাংলাদেশের। যার মূলে ছিল ব্যাটিং ব্যর্থতা। কিন্তু এবার সেই ধকল কাঠিয়ে উঠেছে টিম টাইগাররা।  বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ১১৯ টেস্টের মোকাবিলা করেছে। এর মধ্যে জয় ১৪টি, ড্র ১৬টি  এবং পরাজিত হয়েছে ৮৯টি ম্যাচে।

প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ের করা ২৬৫ রানের জবাবে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ৫৬০ রান তুলে নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। ১৫৬ বলে ১২ বাউন্ডারিতে ক্যারিয়ারের ৯ম এবং অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল হক (১৩২)। অপরদিকে টেস্টে ফিরেই মুশফিকুর রহিম অপরাজিত করেন ২০৩ রান।

টাইগারদের ইনিংস ঘোষণার পর সোমবার শেষ বিকেলে খেলতে নামে জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই , প্রিন্স মাসভাউরেকে (০) তুলে নেন নাঈম হাসান। পরের বলেই তিনে নামা ডোনাল্ড ট্রিপানো (০) লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হন। সফরকারীরা তৃতীয় দিন শেষ করে ৫ ওভারে ২ উইকেটে ৯ রান তুলে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে সফরকারীরা খেলতে নেমে সবকয়টি উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রানে পৌঁছে। সকালের শুরুতেই প্রথম আঘাত হানেন তাইজুল ইসলাম। ওপেনার কেভিন কাসুজাকে (১০) ফেরত পাঠান তিনি। এর কিছুক্ষণ পর নিজের তৃতীয় শিকার ধরেন নাঈম। ফিরে যান বিপজ্জনক ব্রেন্ডন টেইলর (১৭)। ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারায় অতিথিরা। এরপর প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন সিকান্দার রাজা এবং অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। দলীয় ১০৪ রানে আরভিন (৪৩) রানে আউট হন। পরে কেউ আর পর করতে পারেননি অর্ধশত রানের ঘর।

বাংলাদেশের নাঈম হাসান ৫টি এবং তাইজুল ইসলাম ৪টি উইকেট তুলে নেন।  নাঈম ও তাইজুলের বোলিং ধারেই ১৪তম টেস্ট জয়টি সহজভাবে ঘরে তুলেছে  টাইগাররা।

এমএইচ



একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে