‘না’ তে অনড় মুশফিক

0
48


‘না’ তে অনড় মুশফিক

কঠোর নিরাপত্তায় দুই দফায় পাকিস্তান সফর করে এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এবার তৃতীয় ধাপে একটি ওয়ানডে ও সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলবে টাইগাররা। ওয়ানডে মাঠে গড়াবে ৩ এপ্রিল আর টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে ৫ এপ্রিল থেকে। তাই ক্রিকেটপ্রেমীরা আশায় বুক বেধে ছিল তৃতীয় ধাপে হয়ত পাকিস্তান সফরে যাবেন মুশফিক। কিন্তু তিনি পাকিস্তানে যেতে মোটেও আগ্রহী নন। গতকাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। তবে নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে শততম জয়ের মাইলফলকের সামনে থাকা মুশফিকের মাথায় জুড়ে দেয়া হয়েছিল ‘পাকিস্তানী চাপ’।

অনিশ্চয়তার খেলা ক্রিকেট। কখনো জয় আবার কখনো জিততে গিয়ে হেরে যাওয়া। কিন্তু এই খেলায় নিজের দক্ষতা, ব্যাটিং নৈপুর্ন দিয়ে বার বার খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলেছেন মুশফিক। দলকে করেছেন চাপমুক্ত। এমনকি গতকাল পাকিস্তানে খেলার চাপ নিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ক্যারিয়ারে ৩৮তম হাফ সেঞ্চুরি করেই তবে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক।

পারিবারিক কারণ দেখিয়ে প্রথম দুই দফায় পাকিস্তান সফরে যাননি মুশফিক। এপ্রিলে তৃতীয় ধাপে সিরিজের বাকি টেস্ট এবং একমাত্র ওয়ানডে খেলতে সেখানে যাবে বাংলাদেশ। কিন্তু এ পর্বে পাকিস্তানে যেতে মুশিকে বেশ চাপ দিচ্ছে বিসিবি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডের আগের দিন মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ও প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। তবে সেখানে ছিল না তার ব্যাটিং বা দলের কৌশল নিয়ে কোনো কথা। বরং মুশফিককে পৌঁছে দেয়া হয়েছে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের বার্তা। জানা গেছে পাকিস্তান সফরে যেতে রাজি না হলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের একাদশ থেকে বাদ দেয়া হবে! তবে মুশফিক এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। চাপেও অবশ্য নিজের অবস্থান থেকে মুশফিক সরে আসেননি বলে জানা গেছে। প্রধান নির্বাচককে জানিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অনড়। তার মানে করাচিতে যাচ্ছেন না তিনি।

কিন্তু ক্রিকেট ভক্তরা মনে করেন ম্যাচের আগে এমন প্রস্তাব দেয়া উচিৎ হয়নি। আর বোর্ড ম্যানেজম্যান্টের এমন সিদ্ধান্ত ভাবিয়ে তুলেছে ক্রীড়ামোদিদের। আসলেই কি মুশফিককে চাপে রাখতে খেলার আগে এমন সিদ্ধান্ত। তবে যাইহোক সব অনিশ্চয়তা কাটিয়ে গতকাল টসের সময় দেখা গেলো একাদশে নাম রয়েছে মুশফিকের। নানা চ্যালেঞ্জের মুখে একাদশে থাকার অর্থ, নিজেকে আরও একবার প্রমাণ করে দেখানো। সেই তাগিদ থেকেই মুশফিক নিজেকে প্রমাণ করার মিশন নিয়ে নেমেছিলেন মাঠে। ওপেনার লিটন এবং ওয়ানডাউনে নামা নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হওয়ার পর মাঠে নেমে জুটি বাধেন তামিম ইকবালের সঙ্গে। শুধু তাই নয় দাপুটে ব্যাটিং করে ক্যারিয়ারে ৩৮তম হাফ সেঞ্চুরি করেই সাজঘরে ফেরেন মুশফিক। ৫০ বল মোকাবেলা করে ৬ চারে ৫৫ রান করেন মিস্টার ডিপেন্ডবল।

এমএইচ



একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে