১৪ বছর পর প্রকাশ্যে জিদানের ঠুসের কাহিনি

0
99


১৪ বছর পর প্রকাশ্যে জিদানের ঠুসের কাহিনি

ফিফা বিশ্বকাপে স্মরণীয় ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম ২০০৬ সালে ইতালি বনাম ফ্রান্সের ফাইনালে, জিনেদিন জিদানের ঠুস। ইতালির ডিফেন্ডার মার্কো মাতেরাজ্জির বুকে মাথা দিয়ে গুঁতো দিয়ে জীবনের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে লালকার্ড নিয়ে মাঠ ছেড়ে ছিলেন ফ্রান্সের এই সাবেক অধিনায়ক।

মাঠে কি বলেছিলেন মাতেরাজ্জি? গত চোদ্দ বছর ধরে এই নিয়ে কম চর্চা হয় নি। কিন্তু এই নিয়ে দু’জনের কেউ এতদিন মুখ খোলেন নি। যার ফলে প্রকৃত সত্য কখনোই প্রকাশ্যে আসে নি। ঘটনার ১৪ বছর পর অবশেষে প্রকাশ্যে এলো ২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে জিদানের সাথে মাতেরাৎজ্জি-র গন্ডগোলের নেপথ্যের ঘটনা।

ইতালির এক সংবাদমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে মাতেরাৎজ্জি জানান ,”ম্যাচের মাঝামাঝি সময় থেকে আমাদের মধ্যে ছোটখাটো স্লেজিং চলছিল। প্রথমার্ধে জিদান গোল করার পর কোচ মারসেলো লিপ্পি আমাকে বকা দিয়ে জিদানকে মার্ক করতে বলে। প্রথমবার আমাদের মধ্যে ঠোকাঠুকি হওয়ার পর আমি ক্ষমা চাই। কিন্তু জিদান আমার সাথে ভালো ব্যবহার করেনি। এরপর ট্যাকেল, স্লেজিং চলতে থাকে। ১১০ মিনিট পর সেটা চরমে ওঠে। এরপর জিদানের জার্সি টেনে ধরি আর ধাক্কাধাক্কি হয়।

জিদান আমার কাছে এসে বলে, “আমার জার্সিটা তোমাকে পরে দিয়ে দেব।” আমি বলেছিলাম, “তোমার জার্সিতে আমার কোন আগ্রহ নেই বরং তোমার বোনকে দিলে নিয়ে নেব।” ব্যস, এই কথাতেই জিদানের মাথায় রক্ত চড়ে যায়। তার পরের ঘটনা আপনারা সবাই জানেন এবং টেলিভিশনের দৌলতে সবাই দেখেছিলেন।”

যদিও বিশ্বকাপের কয়েকবছর পর জিদান তাঁর কৃতকর্মের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন। আর জানিয়েছিলেন, এই কাজের জন্য তিনি গর্বিত নন। সব খেলোয়াড়দের বলেছিলেন যাতে এইধরণের আচরণ না করেন।

এমএইচ



একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে