সাকিবের করোনা টেস্ট নিয়ে ধোঁয়াশা

0
23


সাকিবের করোনা টেস্ট নিয়ে ধোঁয়াশা

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান কবে দেশে ফিরবেন তা নিয়ে গত কয়েকদিন বেশ জল্পনা-কল্পনায় ডুবেছিল ক্রিকেটপ্রেমীরা। অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে ৫ মাস কাটিয়ে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে ঢাকায় পা রেখেছেন তিনি। সাকিব দেশে ফিরে আসার পর স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন ভক্তরা। এখন তার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে বাংলাদেশ ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি।

দেশে ফিরে দীর্ঘ ভ্রমণক্লান্তির কারণে বিশ্রামে আছেন সাকিব। দুয়েক দিনের মধ্যেই তার করোনা পরীক্ষা করার কথা। রিপোর্ট নেগেটিভ হলে ৫ সেপ্টেম্বর বিকেএসপিতে যাবেন সাকিব। এ বিষয় বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, আমরা ওর করোনা টেস্টের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কিছু জানি না। কারণ সাকিব দেশে ফিরে আমাদের কিছু জানায়নি। এটা ওর ব্যক্তিগত বিষয়। সাকিবের করোনা টেস্ট নিয়ে নানা জনের নানা মন্তব্য করলেও অনেকে বলছেন টাইগার অল রাউন্ডার যুক্ত রাষ্ট্র থেকে ফেরার পথে করোনা টেস্ট করিয়েই বিমানে উঠেছেন। যেহেতু বিদেশে করোনা নেগেটিভ হয়েছেন তাই দেশে না করলেও চলবে। কেউ কেউ বলছেন, দুই একদিনের মধ্যেই দেশে ফের করোনা টেস্ট করতে পারেন তিনি।

অন্যদিকে সাকিবকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত বিকেএসপি। এ বিষয় বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রাশীদুল হাসান বলেন, সাকিব বিকেএসপির প্রাক্তন ছাত্র। বাংলাদেশ ক্রিকেটের মহানায়ক বলি আমরা তাকে। সঙ্গে বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার। সেদিক থেকে আমাদের উচ্ছ্বাস অনেক বেশি। তিনি আমাদের দেশের গৌরব, তার প্রত্যাবর্তন যেন ভালো হয়, সেই চেষ্টা করব। বিকেএসপি গিয়ে অনুশীলনে দুই কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও নাজমুল আবেদীনকে পাবে সাকিব। তাছাড়া সেখানে ফিটনেস ও কন্ডিশনিংয়ের জন্যও তিনি পাবেন বিশেষ সুবিধা। বিকেএসপির মহাপরিচালক বলেন, এক বছর ধরে সাকিব খেলার বাইরে। ফিটনেস আগের অবস্থায় আনতে আমাদের কোচরা একটা পরিকল্পনা করে রেখেছেন।

সাকিবের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হতে আর ২ মাসেরও কম সময় বাকি আছে। তাই ক্রিকেটে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের জন্য এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার প্রক্রিয়া শুরুর আগে সাকিবকে নিয়ে গণমাধ্যমে নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশন থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান।

সাকিবকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে শুধু এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি এক বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞাও দেয়া হয়েছে। তাই এ সময় যদি আকসুর কোনো নীতিবিরোধী কাজ করেন, তবে সেই স্থগিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে পারে।

এ বিষয় গণমাধ্যমকর্মীদের সতর্ক থাকার অনুরোধ করে আকরাম খান বলেন, আমাদের গাইডলাইন হবে ২৯ তারিখের পরে, তার আগে নয়। আপনারাও জানেন, আইসিসি থেকে নিষেধাজ্ঞা আছে এবং আমি আপনাদের অনুরোধ করব যেহেতু এখনো পর্যন্ত ওর সবকিছু ভালো আছে, শেষের দিকে যেন কোনো কিছু তার বিরুদ্ধে না যায় আকসুর নিয়মানুসারে। সেটা একটু সেক্রিফাইস করবেন।

এমআই



একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে