নৌকা জিতবে, তাই ভোট দিতে আসেননি ভোটাররা

0
161

নিউজ ডেস্ক : উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় দফায় নওগাঁর ১০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে ১০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। নওগাঁ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা চেয়ারম্যান পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় একক প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ১০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়।

জেলার মহাদেবপুর উপজেলার হাট-চকগৌরি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব এবং বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) থেকে টেলিভিশন প্রতীক নিয়ে জাবেদ আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এই উপজেলার ভোটারদের মধ্যে তেমন আগ্রহ দেখা যায়নি। এখানে আওয়ামী লীগের বিপক্ষে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ভোটের কেন্দ্রগুলো ছিল ফাঁকা। বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে ভোটারদের দেখা মেলেনি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভোটার জানিয়েছেন, এখানে আওয়ামী লীগের বিপক্ষে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। নৌকা জিতবে এমন কথা আগ থেকেই জানতেন ভোটাররা। ফলে কষ্ট করে কেউ ভোটকেন্দ্রে আসেননি।

জেলার ১০টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪০ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৬০৮টি কেন্দ্রে চার হাজার ৫৭৫টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

মহাদেবপুর উপজেলার হাট-চকগৌরি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোটারদের উপস্থিতি অনেক কম। ফলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং এজেন্টরা অলস সময় পার করেছেন। এই কেন্দ্রের ৩ নম্বর বুথে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৩৫০টি ভোটের মধ্যে ৫৭টি ভোট পড়েছে। এ নিয়ে হতাশ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারাও।

এই কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবু সাইদ মন্ডল বলেন, এই কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা চার হাজার ৭৩৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই হাজার ৩৪৫ জন এবং নারী ভোটার দুই হাজার ৩৯০ জন। মোট ১৩টি বুথে ১৪টি বাক্সে ভোটগ্রহণ হয়। দুপুর ২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত মোট ৭২৫টি ভোট পড়েছে এই কেন্দ্রে। ভোটার উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। কি জন্য ভোটাররা কেন্দ্রে আসেননি তা আমার জানা নেই।

এদিকে, সাপাহার উপজেলার ওড়নপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে এখানে পুরুষ ভোটারদের উপস্থিত বেশি থাকলেও নারী ভোটার ছিল কম।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে