অবশেষে ভেঙে গেল অভিনেতা সিদ্দিক-মিমের সংসার

0
48

জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভেঙে গেল অভিনেতা সিদ্দিক-মিমের সংসার। দুজেনর সিদ্ধান্তেই এই ডির্ভোস হয়েছে বলে বিশেষ সূত্রে জানা গেছে। সম্প্রতি সময়ে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শনিবার (১৯ অক্টোবর) ডিভোর্স পেপারে স্বাক্ষর করেছে মিম। ২৩ অক্টোবর ডিভোর্স পেপার সিদ্দিকের হাতে পৌঁছাবে বলে একটি বিশেষ সূত্র বিডি২৪লাইভকে নিশ্চিত করেছে। ভালোবেসে আট বছর আগে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান ও মডেল মারিয়া মিম। তাদের ছয় বছরের একটি সন্তানও রয়েছে।

জানা যায়, অনেকদিন ধরেই তাদের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না । প্রায় তিন মাস ধরে দুজনে আলাদা রয়েছেন। মারিয়া মিম মডেলিংয়ের সঙ্গে জড়িত অনেক দিন ধরেই। তিনি চাইছেন নিয়মিত কাজ করতে। কিন্তু স্বামী চাইছেন না তার স্ত্রী শোবিজে কাজ করুক। এ নিয়েই তাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে মানসিক দূরত্ব।

এ বিষয়ে সিদ্দিক বলেন, আমাদের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো গণমাধ্যমে দেখে আমি খুব অবাক হয়েছি। বিভিন্ন সংসারেই এমন অশান্তি হয় আবার মিটেও যায়। স্বামী হিসেবে আমার কাছে মনে হয়েছে মিমের মিডিয়ায় কাজের চেয়ে সংসারে মনোযোগী হওয়াটা বেশি দরকার। আমার তো আর্থিক সংকট নেই যে আমার স্ত্রীকে কাজ করে সংসার চালাতে হবে। আমাদের স্বপ্ন একটাই সন্তানটাকে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। কিন্তু সর্বশেষ মিমের এমন সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে হয়েছে।

এর আগে মিম গণমাধ্যমেক জানিয়েছিলেন, ‘শুধু মিডিয়ায় কাজের বিষয় নয়, তার সঙ্গে ঘর ভাঙার শতশত কারণ আছে। যেগুলো এতদিন আমি সহ্য করেছি। যা এখন আর সহ্য করতে পারছি না। এমন অনেক বিষয় রয়েছে যা বললে গ্রে’ফতার হবেন সিদ্দিক।’

মিম আরও জানান, ‘বিয়ের পর থেকেই আমাদের মধ্যে অমিল শুরু হয়। বিয়ের আগে আমার কোনো কিছু নিয়ে সিদ্দিকের আপত্তি ছিল না। কিন্তু বিয়ের পর সে আস্তে আস্তে পরিবর্তন হতে থাকে। যে কারণে তার এই পরিবর্তনের বিষয়গুলো আমি আর মানতে পারছি না।

সব মেয়েদের স্বপ্ন থাকে, তার স্বামী একজন ভালো মনের মানুষ হবে। তাছাড়া সুখ শান্তিতেই থাকতেই পছন্দ করে মেয়েরা। সিদ্দিক আমার সব কাজ নিয়ে অভিযোগ করে। আমি সব কিছু ছেড়ে দিতাম। যদি আমার স্বামী আমাকে মানসিকভাবে শান্তি দিতো ও ভালোবাসতো। কিন্তু সে এমন মানুষ না। এই বিষয়গুলো সত্যি আমার কাছে বোঝা মনে হচ্ছে। আর যে কারণে সময়ের সাথে সাথে তার সঙ্গে থাকাটাও কতটা যৌক্তিক হবে সেটা সময় বলবে। সিদ্দিক আমার সঙ্গে অনেক প্রতারণা করেছে। কিন্তু ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে সংসার করতে চেয়েছিলাম। সব কিছু তো আর বলা সম্ভব নয়, যদি বলতাম তাহলে এতদিনে ওকে জেলে থাকতে হতো।’

‘সিদ্দিক আমাকে সব সময় মানসিক টর্চারে রেখেছে। আমার অধিকার হরণ করেছে। না, ওর সংসারে আমার কোনো স্বাধীনতা নেই। এখন সে আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে নানাভাবে। তাই আমি তার নামে জিডি করেছি।’

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে