ভোট শেষে ৩০ মিনিটেই ফলাফল

0
36


ভোট শেষে ৩০ মিনিটেই ফলাফল

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অণুবিভাগের (এনআইডি) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুল ইসলাম বলেছেন, আমরা চেষ্টা করছি ভোট শেষ হওয়ার ৩০ (সাড়ে ৪টা) মিনিটের মধ্যেই ফলাফল কেন্দ্র থেকে প্রকাশ করা হবে। কেন্দ্র থেকে প্রথমে ফলাফল রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে যদি ফলাফল প্রকাশ করতে দেরি হয়, তাহলে আমাদের করার কিছু নেই। এটা ইভিএমের দোষ না।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের জন্য ২৮ হাজার ৮৭৮টি ইভিএম সেট প্রস্তুত করে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ইতোমধ্যে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। ইভিএমের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য ভোট হবে বলে আমরা আশাবাদী। একজনের ভোট দিতে ৪০ সেকেন্ড থেকে সর্বোচ্চ ১ মিনিট লাগার কথা, সেকারণে নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নির্বাচনে ভোট গ্রহণে থাকছে ২৮ হাজার ৮৭৮ ইভিএম

সাইদুল ইসলাম বলেন, আমাদের শতভাগ প্রস্তুতি শেষ। আমরা একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যে ২ হাজার ৪৬৮টি ভোটকেন্দ্রে ১৪ হাজার ৪৩৬টি ভোটকক্ষ পরিচালনার জন্য আমরা প্রশিক্ষণ শেষ করেছি। পরীক্ষামূলক বা মক ভোটিংয়ের জন্য ইতোমধ্যে ৩৫ হাজার ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ৪৫ হাজার ৭৭০ জন প্রিজাইডিং পোলিং এজেন্টকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য থাকবে।

এ ছাড়া প্রত্যেক কেন্দ্রে দুজন করে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বিমান বাহিনীর মোট ৫ হাজার ১৫ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। তারা টেকনিক্যাল কাজ দেখবেন। তারা আইনশৃঙ্খলার কোনো কাজে অংশ নেবেন না। সেনা ছাউনি থেকে তারা সরাসরি ভোট কেন্দ্রে যাবেন। আবার সেখান থেকে তারা সরাসরি সেনা ছাউনিতে ফিরে যাবেন।

এনআইডি মহাপরিচালক বলেন, শুক্রবার রাত ১১টা পর্যন্ত ১০৫ নম্বরে এসএমএস করে যেকোনো ভোটার জানতে পারবেন তিনি কোন কেন্দ্রের ভোটার। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার কিংবা সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার কোনো ভোট দিতে পারবেন না। তারা ভোট পরিচালনা করবেন। তবে বিভিন্ন কারণে কারও ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মিললে তারা ১ শতাংশ পর্যন্ত ভোট দিতে সহায়তা করতে পারবেন। এর চেয়ে বেশি প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিতে হবে। তিনি বলেন, কেউ অবৈধভাবে ভোট বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গেলে তাকে শনাক্ত করে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এনএম



একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে