যোগাযোগের নতুন দিগন্তে বাংলাদেশ

0
51


যোগাযোগের নতুন দিগন্তে বাংলাদেশ

যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হলো। আরামদায়ক, নিরবচ্ছিন্ন ও দ্রুত যাতায়াতের জন্য দেশে প্রথমবারের মতো চালু হলো আন্তর্জাতিক মানের এক্সপ্রেসওয়ে। যাত্রাবাড়ী-মাওয়া-ভাঙ্গা রুটে এই এক্সপ্রেসওয়ে যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে।

প্রকল্প কর্মকর্তারা বলছেন, দুটি সার্ভিস লেনের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীকে যুক্ত করবে ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ে। এটা চালু হওয়ার ফলে বাংলাদেশ যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগে প্রবেশ করলো। এখন থেকে রাজধানী থেকে মাওয়া পর্যন্ত যেতে সময় লাগবে মাত্র ২৭ মিনিট। আগে যেখানে দেড় থেকে দুই ঘণ্টাও সময় লাগতো।

এক্সপ্রেসওয়েতে রয়েছে পাঁচটি ফ্লাইওভার, ১৯টি আন্ডারপাস এবং প্রায় ১০০টি সেতু এবং কালভার্ট। রয়েছে। মাওয়া থেকে ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এবং ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ পানছার থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত দুটি এক্সপ্রেসওয়ে পুরো খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং ঢাকা বিভাগের একটি অংশের উন্নয়নে অবদান রাখবে।

শুধু তাই নয়, এতে ঢাকা শহর এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার করবে। যা দেশের ব্যবসা- বাণিজ্য বাড়িয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। ভ্রমণের সময় কমানোর পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনসাধারণের জন্য আরামদায়ক ও নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত নিশ্চিত করবে।

প্রকল্প কর্মকর্তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক মানের এই এক্সপ্রেসওয়ে দুইটি সার্ভিস লেনের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীকে যুক্ত করবে। এটি উন্মুক্তের ফলে বাংলাদেশ যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগে প্রবেশ করল।’ এখন মাত্র ২৭ মিনিটে ঢাকা থেকে মাওয়ায় যাওয়া যাবে।

প্রকল্পের বিবরণ অনুসারে, এক্সপ্রেসওয়েতে পাঁচটি ফ্লাইওভার, ১৯টি আন্ডারপাস এবং প্রায় ১০০টি সেতু এবং কালভার্ট রয়েছে, যা দেশের ব্যবসা- বাণিজ্য বাড়িয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। খুলনা বিভাগের ১০ জেলা, বরিশাল বিভাগের ছয় ও ঢাকা বিভাগের ছয় জেলাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলাবাসী সরাসরি উপকৃত হবে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে।

এনএম



একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে