টাঙ্গাইলে বয়স্ক ভাতার কার্ড মেলেনি ৮০ বছরেও!

0
109

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: বয়স ৮০ বছর। নাম আহাতন। ঠিকমতো হাঁটতেও পারেন না। পড়ছে চোখে ছানি, যার কারণে চোখেও দেখেন না আগের মতো। চোখের অপারেশন করার মতো নেই কোন অর্থ। সংসারে অভাব অনটন নিয়েই হতাশায় মৃত্যুর প্রহর গুনছে প্রতিনিয়ত। এ দিকে যে ঘরে থাকেন সেটিও ভাঙা। নেই দরজা। রোদ বৃষ্টিতে সে ঘরে থাকাও দুষ্কর ও দুর্ঘটনা আতঙ্ক।

তার স্বামী হাছান আলী ১ শ উর্ধ্ব বয়সে গত ২০১৫ সালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। রেখে যায় ২ ছেলে ৩ মেয়ে। এদের নিয়েই বাঁচার তাগিতে শুরু করেন জীবন যুদ্ধ। ৩ মেয়ের মধ্য সবার ছোট মেয়ের হাকিদারও কঠিন অসুখ হয়। চিকিৎসার অভাবে ছোট মেয়েকেও হারায় গত বছর। এ দিকে তার দুই ছেলের মধ্য বড় ছেলে রহিম দিন মজুরের কাজ করে কোনো রকমভাবে সংসার সামলাচ্ছেন।

রহিমেরও রয়েছে ৫ সন্তান। পুরো সংসারের দায়িত্ব যেন তার ঘাড়েই। এই ৮০ বছরের বৃদ্ধা মহিলার বাড়ি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের অলোয়া গ্রামে।

৮০ বছরের বৃদ্ধা আহাতন বলেন, এলাকার মেম্বার ও অনেকের কাছে ঘুরে ঘুরেও এ বয়সে কোনো বয়স্ক ভাতা কার্ড ও বিধবা ভাতা কার্ড বা অন্য কোনো কার্ডও কপালে মেলেনি। অভাবি সংসার। শেষ বয়সে এসে কোনো কোনো দিন না খেয়েই রাত্রিযাপন করতে হয়। ছেলেরাও ঠিকমতো ভরণপোষণ করতে পারেন না। এ অবস্থায় আমি অনেক কষ্টে রয়েছি। মেম্বার ও চেয়ারম্যানদের কাছে সব শেষে অনুরোধ জানাই আপনারা আমাকে যেন বাঁচার জন্য সহযোগিতা করবেন। আপনাদের জন্য দোয়া করব।

এ বিষয়ে ৫নং অলোয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রহিজ উদ্দিন আকন্দ বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত হলাম, পরবর্তীতে সময়ে তার নাম যুক্ত করে দেওয়া হবে এবং সে যেন সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা পায় সে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে